প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

মানব সভ্যতার সূচনা লগ্নে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ প্রতিনিয়ত জ্ঞান ও কৌশল আহরন করে চলছে।প্রবাদ আছে, বিদ্যালয় যেখানে সভ্যতারি ফুল ফোটানো হয়, সভ্যতারি ফুল ফোটানো হয়। সময়ের প্রয়োজনে মানব কল্যানে সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিরা কখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৃষ্ঠিতে আগ্রহী হয়। সহিলাটি গ্রামের মহান ব্যক্তিত্ব তাহের উদ্দিন,আপ্তাব উদ্দিন গংজমি দান করেন এবং মানব হিতৈষী ব্যক্তি আব্দুর রাজ্জাক খান এই অখণ্ড ভূমিতে নিজের সহায় সম্পদ ত্যাগ করে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রধান শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় নিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার নদীর তীরে অবস্থিত সহিলাটি গ্রামে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে মানসম্মত সরকারের শিক্ষা বিষয়ক প্রেরণা ও তত্বাবধানে শিক্ষকবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এবং ছাত্রছাত্রীদের নিরলস অধ্যয়ন ও অধ্যাবসায় এর ফলে বিদ্যালয়টি ২০০২ সালে নিন্ম মাধ্যমিক ও ২০২২ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে এমপিওভূক্তি লাভ করে। সাধারন শিক্ষার পাশাপাশি সহপাঠক্রমিক বিষয়ে প্রতি বছর উপজেলা ও জেলা ভিত্তিক বিভিন্ন খেলাধুলায় যথেষ্ঠ কৃতিত্ব বহন করে আসছে। সাফল্যের এই ধারা ক্রমাগতঅব্যাহত থাকবে এবং বিদ্যালয়টি উত্তোরোত্তর সমৃদ্বি লাভ করবে বলে বিশ্বাস করি।
সহিলাটি উচ্চ বিদ্যালয়
তাড়াইল কিশোরগঞ্জ।
প্রধানের বানী

মানব সভ্যতার সূচনা লগ্নে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ প্রতিনিয়ত জ্ঞান ও কৌশল আহরন করে চলছে।প্রবাদ আছে, বিদ্যালয় যেখানে সভ্যতারি ফুল ফোটানো হয়, সভ্যতারি ফুল ফোটানো হয়। সময়ের প্রয়োজনে মানব কল্যানে সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিরা কখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৃষ্ঠিতে আগ্রহী হয়। সহিলাটি গ্রামের মহান ব্যক্তিত্ব তাহের উদ্দিন,আপ্তাব উদ্দিন গংজমি দান করেন এবং মানব হিতৈষী ব্যক্তি আব্দুর রাজ্জাক খান এই অখণ্ড ভূমিতে নিজের সহায় সম্পদ ত্যাগ করে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রধান শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় নিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার নদীর তীরে অবস্থিত সহিলাটি গ্রামে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে মানসম্মত সরকারের শিক্ষা বিষয়ক প্রেরণা ও তত্বাবধানে শিক্ষকবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এবং ছাত্রছাত্রীদের নিরলস অধ্যয়ন ও অধ্যাবসায় এর ফলে বিদ্যালয়টি ২০০২ সালে নিন্ম মাধ্যমিক ও ২০২২ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে এমপিওভূক্তি লাভ করে। সাধারন শিক্ষার পাশাপাশি সহপাঠক্রমিক বিষয়ে প্রতি বছর উপজেলা ও জেলা ভিত্তিক বিভিন্ন খেলাধুলায় যথেষ্ঠ কৃতিত্ব বহন করে আসছে। সাফল্যের এই ধারা ক্রমাগতঅব্যাহত থাকবে এবং বিদ্যালয়টি উত্তোরোত্তর সমৃদ্বি লাভ করবে বলে বিশ্বাস করি।
সেলিম মিয়া
প্রধান শিক্ষক
সহিলাটি উচ্চ বিদ্যালয়
তাড়াইল কিশোরগঞ্জ।
সভাপতির বাণী

মানব সভ্যতার সূচনা লগ্নে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ প্রতিনিয়ত জ্ঞান ও কৌশল আহরন করে চলছে।প্রবাদ আছে, বিদ্যালয় যেখানে সভ্যতারি ফুল ফোটানো হয়, সভ্যতারি ফুল ফোটানো হয়। সময়ের প্রয়োজনে মানব কল্যানে সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিরা কখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৃষ্ঠিতে আগ্রহী হয়। সহিলাটি গ্রামের মহান ব্যক্তিত্ব তাহের উদ্দিন,আপ্তাব উদ্দিন গংজমি দান করেন এবং মানব হিতৈষী ব্যক্তি আব্দুর রাজ্জাক খান এই অখণ্ড ভূমিতে নিজের সহায় সম্পদ ত্যাগ করে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রধান শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় নিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার নদীর তীরে অবস্থিত সহিলাটি গ্রামে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে মানসম্মত সরকারের শিক্ষা বিষয়ক প্রেরণা ও তত্বাবধানে শিক্ষকবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এবং ছাত্রছাত্রীদের নিরলস অধ্যয়ন ও অধ্যাবসায় এর ফলে বিদ্যালয়টি ২০০২ সালে নিন্ম মাধ্যমিক ও ২০২২ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে এমপিওভূক্তি লাভ করে। সাধারন শিক্ষার পাশাপাশি সহপাঠক্রমিক বিষয়ে প্রতি বছর উপজেলা ও জেলা ভিত্তিক বিভিন্ন খেলাধুলায় যথেষ্ঠ কৃতিত্ব বহন করে আসছে। সাফল্যের এই ধারা ক্রমাগতঅব্যাহত থাকবে এবং বিদ্যালয়টি উত্তোরোত্তর সমৃদ্বি লাভ করবে বলে বিশ্বাস করি।
মোঃ মাজহারুল ইসলাম
সভাপতি
সহিলাটি উচ্চ বিদ্যালয়
তাড়াইল কিশোরগঞ্জ।